কাশী কুমার দাস, বিশেষ প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নবরূপীর আয়োজনে বিশিষ্ট নাট্যাভিনেত্রী, শিক্ষিকা, দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি হতে পদকপ্রাপ্ত সংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব এবং জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে “জয়ত্রী” পদকে সম্মানিত সামাজিক ব্যাক্তিত্ব ছায়া আকবরের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শুক্রবার রাতে নবরূপীর কার্যালয়ে।
নবরূপীর সভাপতি আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নবরূপীর সাধারণ সম্পাদক (ভারঃ) মোঃ আতিকুর রহমান নিউ। নবরূপীর সহ-সভাপতি মানস ভট্টাচার্জের সঞ্চালনায় নাট্যাভিনেত্রী ছায়া আকবরের কর্মময়জীবন নিয়ে আলেচনা করেন দিনাজপুর নাট্য সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান রেজু সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট দিনাজপুরের সভাপতি সুলতান কামাল উদ্দিন বাচ্চু, সাংবাদিক ও নাট্যকর্মী কাশী কুমার দাস ঝন্টু। পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ছায়া আকবরের বড় মেয়ে ড. আশিকা আকবর তৃষ্ণা, জামাই মোস্তাফিজুর রহমান রুপম, ভাগ্নে আল মামুন বিপ্লব, তার স্ত্রী নুরুন নাহার এবং ভাই সুবাস বিশ্বাস। নবরূপীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি নাজমুল হক, নাট্য সম্পাদ শামিম রাজা, সাহিত্য সম্পাদক ডাঃ খদেজা নাহিদ ইভা। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নবরূপীর সহ-সাধারণ সম্পাদক রওনক আরা হক নিপা, নির্বাহী সদস্য মোঃ লুৎফর রহমান চারুকলা সম্পাদক বিলকিস জাহান, অর্থ সম্পাদক এ্যাড. নুরুল ইসলাম, সংগীত সম্পাদক ফরহাদ আহম্মেদ, নির্বাহী সদস্য সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন বাবলু, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আকবর আলী ও প্রচার সম্পাদক শাহ্ শাহরুখ শিশির। ড. আশিকা আকবর তৃষ্ণা তার বক্তব্যে বলেন আমার মা ছায়া আকবর ছিলেন সাংস্কৃতিক চর্চার পরিবার গঠনের একজন কারিগর। তিনি সংস্কৃতিক সামাজিক কর্মকা-ের পাশাপাশি ছিলেন একজন সার্থক মা। তার কারণে আজ আমি জেলা ভেটেনারী অফিসার ও আমার আরো তিন বোন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সমাজে। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন ছায়া আকবরের নাট্য জগৎতে যাত্রা শুরু হয় বিন্দুর ছেলে নাটকের মাধ্যমে। দিনাজপুরের নাট্য চর্চার ক্ষেত্রে যখন নারী শিল্পি বিচরণ খুবই কঠিন ছিল ঠিক যে সময় তিনি নারী চরিত্রে অভিনয় করে নারী শিল্পিদের উৎসাহিত করেছিলেন। ছায়অ আকবরের নাট্য চর্চা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকা- আমাদের প্রজন্ম নাট্য শিল্পিদের প্রেরণা দিবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।