প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ৬, ২০২৬, ৯:১৫ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ৬, ২০২৬, ৯:১৫ এ.এম
ফুলবাড়ীর কয়লা উত্তোলনে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ ও বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

মোরশেদ মানিক :জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আলোকে ফুলবাড়ীর কয়লা দ্রুত উন্নয়ন, স্থানীয়দের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের দাবিতে শুক্রবার ফুলবাড়ি প্রকল্প এলাকায় এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। কয়লা মজুদ এলাকার প্রস্তাবিত ফুলবাড়ি খনির প্রথম কয়লা উত্তোলন এলাকায় এই মানববন্ধনের আয়োজন করে ফুলবাড়ি, পার্বতীপুর, বিরামপুর ও নবাবগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ।
বৈগ্রাম চৌরাস্তা মোড়ে ঘন্টাকালব্যাপি শান্তিপূর্ণ মানবন্ধনে ‘ফুলবাড়ি কয়লা খনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’ এর ব্যানারে অর্ধসহস্রাধিক মানুষ ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে নানা দাবি জানায়। এ সময় এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্যে বলা হয়, জাতীয় সংসেদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের আলোকে ফুলবাড়ি কয়লা খনি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।
মানববন্ধনে নানা দাবিতে বক্তব্য দেন প্রকল্প এলাকার মো: জাকারিয়া নয়ন, মোঃ আব্দুল কাদের, মোঃ আব্দুল আজিজ ও মোঃ বিপ্লব হোসেন সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মানববন্ধনে দেয়া বক্তব্যে মোঃ জাকারিয়া নয়ন বলেন, ফুলবাড়ী কয়লা খনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরু করতে হবে। এই খনি উন্নয়নকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আলোকে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ইতোপূর্বে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির জন্য ক্ষতিগ্রস্ত অনেক মানুষ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে শোনা যায়। ফুলবাড়ী কয়লা খনি বাস্তবায়ন করা হলে একই ধরনের পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। জাকারিয়া নয়ন বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ৯ নং হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম এলাকায় ফুলবাড়ীর কয়লা খনির মুখ রয়েছে। এখান থেকেই কয়লা উত্তোলন শুরু করা হবে বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সংকটের বিপরীতে অর্থনৈতিক মুক্তি পেতে পৃথিবীর সর্বোবৃহৎ উৎকৃষ্ট মানের কয়লার মজুদ রয়েছে ফুলবাড়ীসহ চার উপজেলায়। এই কয়লা উত্তোলন করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব। তিনি ফুলবাড়ী কয়লা খনি বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান।
জানা গেছে, কয়লা খনি এলাকার বৈগ্রাম মোড়ে সকাল দশটায় এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হলেও প্রকল্প এলাকার শত শত উৎসাহী মানুষ সকাল আটটার পর থেকেই চৌরাস্তা মোড়ে জমায়েত হতে থাকবে। নির্ধারিত সময়ের ঘন্টাখানেক আগে মানবন্ধন স্থলে প্রচুর লোকের সমাগম হয়। লোকজন একাধিক ব্যানার নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে যায়।
ব্যানারগুলোতে লেখা ছিল এই গণজমায়েত ও মানবন্ধনের দাবি দাওয়া গুলো। দাবির মধ্যে দেখা যায়, ফুলবাড়ি কয়লা প্রকল্প বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। উন্নত বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। স্থানীয় আয় রোজগারের সুযোগ তৈরি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন করত হবে।
Copyright © 2026 Positivebdnews24. All rights reserved.