👁 319 Views

জেএসকেএস এর উদ্যোগে সমন্বয় সভায় সদর ইউএনও প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় আনতে হবে

কাশী কুমার দাস, বিশেষ প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন শরিফ বলেছেন, প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে উন্নয়নের মূল স্স্রোতধারায় আনতে পারলে সরকারি সেবায় তাদের প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধি পাবে। দলিত ও সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের মানুষকে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারি সেবা প্রদানকারী দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ঝানজিরা সমাজকল্যাণ সংস্থা (জেএসকেএস) এর আয়োজনে এবং জিএফএ কনসালটিং গ্রুপের সহযোগিতায় নাগরিকতা-সিভিক এনগেজমেন্ট ফাউন্ডেশ (সিইএফ) এর ইম্পাওয়ার প্রকল্পের আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির সরকারী সেবায় প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধি বিষয়ক সমন্বয় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। জেএসকেএস এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার গোলাম আজম, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মোঃ ফারহান নওরোজ নূর, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোছাঃ শারমিন আক্তার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ তুষার ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা বিষ্ণুপদ রায়। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন ২নং সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান লিটন, ১নং চেহেলগাজী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোছাঃ কুসুম, এসইউপিকে’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ মোজাফ্ফর হোসেন, এমবিএসকের মোর্শেদা পারভীন মলি, সাংবাদিক কাশী কুমার দাস, অধিকার কেন্দ্রের সভাপতি হরিদেব, সাধারন সম্পাদক রাজ কুমার, আদিবাসী নেত্রী অভিলা টুডু। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন প্রোজেক্ট ম্যানেজার হারুন-অর-রশিদ। সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেএসকেএস এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, একটি ন্যায় ভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল সমাজ, যেখানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষ করে দলিত, আদিবাসী নারী ও কন্যা শিশু এবং সামাজিকভাবে সুবিধাবঞ্চিত অন্যান্য গোষ্ঠি সমান অধিকার, মর্যাদা এবং টেকসই জীবিকা ও সুস্থ্য জীবনের সুযোগ ভোগ করবে এটাই আমাদের স্বপ্ন। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জেএসকেএস এর টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট মর্জিনা রুপা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *