খাদ্যশস্যের নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে : খাদ্যমন্ত্রী
11 Oct 2026
02:22 PM
চট্টগ্রাম: আমদানিকৃত গমের গুণগত মান যাচাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, খাদ্যশস্যের মান পরীক্ষায় নির্ধারিত প্যারামিটার ও মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে, যাতে কোনো অবস্থাতেই নিম্নমানের খাদ্যশস্য গ্রহণ বা সরবরাহের সুযোগ না থাকে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততা, পেশাদারত্ব ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে হবে।
আজ রোববার চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা বহির্নোঙরে আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত গমবাহী জাহাজ “এমভি স্প্রীং স্কাই” পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, খাদ্য আমদানি থেকে শুরু করে পরিবহন, সংরক্ষণ, পরীক্ষণ ও বিতরণ- প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। আমদানিকৃত গমসহ খাদ্যশস্য নির্ধারিত মান বজায় রেখে যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পর্যায়ে দায়িত্ব পালনে অবহেলা হলে সামগ্রিক খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক দায়িত্ব। জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রত্যেককে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে। খাদ্যশস্যের মান যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। কারণ এসব প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, দেশের খাদ্য ব্যবস্থাপনাকে একটি কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী অবস্থানে নিতে হলে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও সমন্বয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি সম্মিলিত জাতীয় দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে দেশপ্রেম, সততা ও পেশাগত নিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।
এ সময় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।