👁 248 Views

বিরামপুরের সীমান্তে  বিএসএফের ২দফা পুশইন প্রতিহত করেছে বিজিবির ও গ্রামবাসী : দিবা-রাত্রি সতর্ক অবস্থানে

মোরশেদ মানিক: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর সীমান্ত দিয়ে ২০ থেকে ২৫ জন ভারতীয়কে বিএসএফ দুদফা পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বাংলাদেশের বিজিবি ও গ্রামবাসী। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ পুশ ইন প্রবনতা অব্যাহত রাখার বিপরিতে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ও গ্রামবাসী ও বিজিবি সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে তৎপর রয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার দাউদপুর বিওপির গোবিন্দপুর সীমান্তের ২৮৯/৪৬ এস পিলার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দাউদপুর বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার মাহাবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের মাধ্যমে বিজিবি জানতে পারে , গতরাত এগারোটার দিকে ভারত অংশে দেওয়া কাঁটা তারের বেড়া পাড় করে বেশ কিছু ভারতীয় লোকজনদের পুশ ইনের চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী সদস্য বিএসএফ। বাংলাদেশে প্রবেশের সময় স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে তাদের ধাওয়া করেন। ওই দিন রাত থেকে গোবিন্দপুর সীমান্তের গ্রামে লাঠি হাতে গ্রামবাসী , আনসার-ভিডিপি ও গ্রামপুলিশ  অবস্থান নিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করছে। পোস্টের পাশাপাশি বিজিবি সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন আছে।

স্থানীয়রা জানান, রাতে বিদুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই মাঠে অবস্থান করছেলেন। এসময় বেশ কিছু ভারতীয় লোকজনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, দেখতে পেয়ে তারা বিজিবি ও গ্রামবাসীকে খবর দেয়। তাৎক্ষনিক বিজিবি এবং গ্রামবাসীদের উপস্থিতির কারনে  বিএসএফের সদস্যরা তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হন।

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা মিজানুর রহমান জানান, গতরাতে প্রথম দিকে গ্রামবাসী ও বিজিবি সদস্যরা ভারতীয় লোকদের পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করলে এর বেশ কিছুক্ষণ পর পাশের একটি এলাকা দিয়ে আবারও চেষ্টা করে। সেখানে গ্রামবাসী বাধা দিলে তারা সেখান থেকেও ফিরিয়ে নেয়। তিনি বলেন, আমি যতটুকু দেখতে পেরেছি পুশইন করার চেষ্টা করা লোকজন প্রায় ১৭-১৮ জন ছিলেন। তবে তাদের মধ্যে চারজন নারী এবং বাকি গুলো পুরুষ ছিল।

এবিষয়ে জানতে চাইলে, কাটলা ইউনিয়নের দাউদপুর বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার মাহাবুর রহমান বলেন, পুশ ইনের ঘটনা আমরা প্রতিহত করেছি। স্থানীয়  গ্রামবাসী আমাদের সর্বোচ্চ সহায়তা করেছেন। আমাদের পাশাপাশি গ্রামবাসী নিজেদের উদ্যোগে টহল দিচ্ছেন। পুশইন ঠেকাতে এই এলাকায় আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *